1. কন্টেন্টে যান
  2. মূল মেন্যুতে যান
  3. আরো ডয়চে ভেলে সাইটে যান

বিমান সংস্থা

৩ এপ্রিল ২০১২

গত দেড় দশকে বাংলাদেশের ছয়টি বেসরকারি এয়ারলাইন বন্ধ হয়ে গেছে৷ চালু আছে মাত্র দু’টি৷ বিশ্লেষকরা বলছেন, অপর্যাপ্ত অভ্যন্তরীণ রুট, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি এবং এ সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণার অভাবেই এমনটি হয়েছে৷

https://p.dw.com/p/14WgK
A GMG Airlines passenger plane sits on the tarmac of Don Muang airport in Bangkok, Thailand Tuesday, April 8, 2008. The Bangladeshi plane made an emergency landing Tuesday in Bangkok after a fight broke out between two passengers during the flight, airport officials said. There were no immediate reports of injuries aboard the aircraft, which was carrying about 70 passengers from Kuala Lumpur in Malaysia to the Bangladeshi capital of Dhaka. (ddp images/AP Photo/Apichart Weerawong)
জিএমজি এয়ারলাইন্স এর একটি বিমানছবি: dapd

বাংলাদেশে প্রথম বেসরকারি এয়ারলাইনের অনুমতি দেয়া হয় ১৯৯৬ সালে৷ ঐ বছর ‘অ্যারো বেঙ্গল এয়ারলাইন্স' দু'টি উড়ো জাহাজ দিয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে তাদের ব্যবসা শুরু করে৷ কিন্তু দু'বছরের মাথায় প্রতিষ্ঠানটি সংকটে পড়ে ব্যবসা গুটাতে বাধ্য হয়৷ এরপর ১৯৯৭ সালে ‘এয়ার পারাবাত' যাত্রা শুরু করে পাঁচ বছরের মাথায় বন্ধ হয়ে যায়৷ আর ১৯৯৯ সালে ‘বেস্ট এভিয়েশন' চালু হয়ে তিন বছর পর বন্ধ হয়ে যায়৷

এরপর, ২০০৫ সালে চালু হয় ‘এয়ার বাংলাদেশ' এবং ২০০৭ সালে চালু হয় ‘রয়েল বেঙ্গল এয়ারলাইন্স'৷ অব্যাহত লোকসানের কারণে এই দু'টি এয়ারলাইনও বন্ধ হয়ে গেছে৷ আর সর্বশেষ ৩০শে মার্চ থেকে ‘জিএমজি এয়ারলাইন্স'-এর উড়োজাহাজ চলাচল স্থগিত করা হয়েছে৷ এটি যাত্রা শুরু করেছিল ১৯৯৮ সালে৷ মূলত জ্বালানির দাম বাড়ার কারণেই তারা উড়োজাহাজ চলাচল স্থগিত রেখে নতুন ব্যবসায়িক কৌশল নির্ধারণ করছে৷

এভিয়েশন গবেষক এবং এভিয়েশন বিষয়ক পত্রিকা ‘দ্য মনিটর'-এর সম্পাদক কাজী ওয়াহিদুল আলম ডয়চে ভেলেকে বলেন, এই পরিস্থিতির জন্য অদক্ষতাই প্রধানত দায়ী৷ কারণ এয়ারলাইনগুলো সঠিক উড়োজাহাজ না আনায় তাদের খরচ বেড়েছে৷ আর জ্বালানির দাম বাড়ায় তা হয়েছে তাদের ওপর বাড়তি চাপ৷ যে চাপ তারা সহ্য করতে পারেনি৷

তিনি জানান, বাংলাদেশের বেসরকারি এয়ারলাইনগুলো প্রধানত অভ্যন্তরীণ রুটেই তাদের উড়োজাহাজ পরিচালনা করে৷ কিন্তু অভ্যন্তরীণ রুটে যে পরিমাণ যাত্রি, তা দিয়ে ব্যবসা করা কঠিন৷ আর আন্তর্জাতিক রুটে উড়োজাহাজ চালতে গিয়ে যে প্রতিযোগিতা, তাতে টিকে থাকার জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি তারা৷ পরিচালনা খরচ তাদের বেশি, কিন্তু প্রতিযোগিতামূলক টিকেটের দাম - এই দুয়ের সমন্বয় করা যায়নি৷

বাংলাদেশে এখন মাত্র দু'টি বেসরকারি এয়ারলাইন সচল আছে৷ ‘ইউনাইটেড' এবং ‘রিজেন্ট এয়ারওয়েজ'৷ কাজী ওয়াহিদুল আলম মনে করেন, বেসরকারি এয়ারলাইন একটি বেসরকারি ব্যবসা৷ কিন্তু তারা দেশের অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারে৷ তাই প্রতিযোগিতায় টিকতে প্রথমদিকে তাদের সরকার কিছু সুবিধা দিলে শেষ পর্যন্ত দেশেরই লাভ হবে৷ তিনি বলেন, সরকার চাইলে তাদের কিছু চার্জ ও ফি কমিয়ে দিতে পারে৷ উড়োজাহাজ আনার সময় কমিয়ে দিতে পারে ‘ট্যাক্স' বা করও৷ জ্বালানির ক্ষেত্রেও দিতে পারে ভরতুকি৷ তবে শেষ পর্যন্ত টিকতে হলে এয়ারলাইনগুলোকে ব্যবস্থাপনা এবং পরিচালনার ক্ষেত্রে দক্ষ হতে হবে৷

প্রতিবেদন: হারুন উর রশীদ স্বপন, ঢাকা

সম্পাদনা: দেবারতি গুহ

স্কিপ নেক্সট সেকশন এই বিষয়ে আরো তথ্য

এই বিষয়ে আরো তথ্য